বিসিএর ঝাকঝমকপূর্ণ শেফ অব দ্য ইয়ার ২০১৪ সেলিব্রেশন (ভিডিও মিউজিক এলবাম সহ)
সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ, বুধবার, নভেম্বর ০৫, ২০১৪


ডেভিড মিলিব্যান্ডের উপস্থিতিতে বিসিএর ঝাকঝমকপূর্ণ শেফ অব দ্য ইয়ার ২০১৪ সেলিব্রেশন

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ-লন্ডন থেকে

বাঙালি যেখানে সেখানেই জয় জয়কার। প্রবাসের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম আর সম্পূর্ণ বৈরি পরিবেশ উপেক্ষা করে ব্রিটিশ বাংলাদেশীরা একের পর এক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে জয় জয়কার বাজিয়ে চলেছেন। ব্রিটেনের অর্থনীতিতে ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রি আজকে এক শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে। এটা এখন কেবল আর বাঙালিদের জবের সিক্রেট এবং জব সিকিউরিটির গ্যারান্টিই নয়, বরং ব্রিটেনের অর্থনীতিতে এবং সমাজ ও সভ্যতায় এক বিরাট ভূমিকা যেমন পালন করে চলেছে, সেই সাথে সাদা ব্রিটিশ সহ অপরাপর কমিউনিটির সকলের রুটি, রুজির এক আদর্শ পেশার অন্যতম এক পীঠস্থান বা শিল্প হিসেবেই খ্যাত। আর সে কথাই একে একে জানান দিলেন ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম প্রবাদ পুরুষ, ব্রিটেনের আগামী দিনের প্রাইম মিনিস্টারের দাবীদার লেবার দলীয় নেতা এড মিলিব্যান্ড এমপি, ফ্রাঙ্ক ডবসন এমপি, জিম ফিটজ প্যাট্রিক এমপি, লর্ড করণ বিলিমোরিয়া, অ্যান মেইন এমপি সহ অভ্যাগত অতিথি সকলেই। হ্যাঁ আমি বলছিলাম, একটি সুন্দর স্বপ্নময়, আলোকোজ্জ্বল, আলোকিত এক সুন্দর রাতের কথা, যে রাতে পুরো ব্রিটেনের হাজারো দর্শক প্রেস্টিজিয়াস হোটেল গ্রস ভেনরের বিশাল গ্রেট হলে উপভোগ করলেন ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশের সোনার ছেলে আর একরাশ কর্মবীর বাঙালি রন্ধন শিল্পীদের অসাধারণ সাফল্য আর ভালোবাসার গল্পের কথা। আজ থেকে দশ বছর আগেও যে শিল্পকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য এই শিল্পের সকল উদ্যোক্তা আর বিনিয়োগকারীদের নানা প্রতিষ্ঠান আর কর্পোরেশনে ধরনা দিতে হন্যে হয়ে ছুটতে হয়েছিলো, সেই শিল্প আর এর এক জাক উজ্জ্বল প্রতিভাবান উদ্যোক্তা আর বিনিয়োগকারীদের পিছনে এখন ব্রিটেন সহ বিশ্বের তাবৎ নামকরা সকল ব্যাংক, বীমা, শিল্প বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান আর উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক কর্ণধারেরা হন্যে হয়ে ছুটে চলেছেন, যাতে এই শিল্পকে নিজেদের কাছে এবং অতি কাছের আপনজন হিসেবে সকলের মধ্যে নতুন করে নীরব এক বিপ্লবের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া যায়। এই কারী শিল্প আজকে শুধু ট্যাক্স আর রেভিনিউ নিয়ে বা দিয়েই ক্ষান্ত নয়, বরং এর সাথে জড়িতে বিশাল ভোট ব্যাংক যেকোন সময়ের চাইতে এতো ব্যাপক ও বিরাট প্রভাব রাখে যে, ভোটের ও জনপ্রিয়তার পাল্লায় এই ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রি এখন অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।
গত সন্ধ্যা থেকে শেষ রাত অবধি ছিলো এই ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের শেফ অব দ্য ইয়ার ২০১৪ সালের পদক বিতরণী ও আগামীর স্বপ্নের ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তর আলোচনা ও উদযাপন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা এড মিলিব্যান্ড এমপি। অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে পুরো গ্রেট হলকে আলোকিত করেছিলেন কীথ ভাজ এমপি, অ্যান মেইন এমপি, জিম ফিজট প্যাট্রিক এমপি,স্টিফেন টিম এমপি, ফ্রাঙ্ক ডবসন এমপি, লর্ড করণ বিলিমোরিয়া, ব্যারোনেস পলা মঞ্জিলা উদ্দিন, রোশনারা আলী এমপি, ইকবাল আহমেদ ওবিই, এনাম আলী(রেডফোর্ড), মুকিম আহমদ, বজলুর রশীদ, ২০১৫ সালের ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে বাঙালি প্রার্থী টিউলিপ সিদ্দিকী, ডঃ রূপা হক, ব্যারিস্টার আনোয়ার বাবুল মিয়া, হাফিজ বক্স, সৈয়দ সামাদুল হক ও মিসেস ডঃ পিংকী হক এম এ মালেক, বাসন নজরুল ইসলাম, সৈয়দ সাজিদুর রহমান, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী সহ ব্রিটেনের এক ঝাঁক উজ্জ্বল কমিউনিটির তরুণ, যুবা, যুবতী, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা এক কথায় প্রায় নেতৃস্থানীয় সকল সেক্টরের সকলেই উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের দুটি বিশেষ পর্বে ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রি সহ অনুষ্ঠানের যাবতীয় সারমর্ম উপস্থাপনের মাধ্যমে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিসিএ প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মুনিম চৌধুরী। এ সময় মঞ্চে ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রির কিছু ভিডিও ফুটেজ উপস্থাপন করা হয়।

সন্ধ্যা ৬.৩০ এর বেশ কিছু পরে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় তাসনিম খান গ্রেগ ওয়ালেসের প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে। তাসনিম তার স্বভাবসূলব দরাজ কণ্ঠে অভ্যাগত অতিথিদের স্বাগত জানান। এ সময় গ্রেগ ওয়ালেস কারি ইন্ডাস্ট্রির ফায়ার আর লাম টিক্কা ঝালের সাথে মিক্স-ইন্ডিয়ান শিল্পী ও কোরিও গ্রাফারদের মঞ্চে আহ্বান করলে মুহুর্মুহু করতালির মধ্য দিয়ে শিল্পীবৃন্দ চমৎকার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ঘরানার সঙ্গীতের মাধ্যমে নৃত্য পরিবেশন করেন। আকাশের একঝাক শান্তির পায়রার আদলে আসমানি রঙয়ের ঢঙয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের আধুনিক কারী শিল্পের স্বপ্নের বুননে সঙ্গীত ও সংস্কৃতি প্রেমের বাস্তব এক নৃত্যাংশ ফুটিয়ে তোলা হয়, যা পাশ্চাত্যকে প্রাচ্যের সাথে আরো কাছের করে নিয়ে আসে।

এর কিছুক্ষণ পর লেবার দলীয় নেতা এড মিলিব্যান্ড গ্রসভেনরের গ্রেট হলে প্রবেশ করলে ক্যাটারার্স নেতৃবৃন্দ মিলিব্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে আসেন। ডেভিড মিলিব্যান্ড হলে প্রবেশ করার সাথে সাথে মুহুর্মুহু করতালি বলে দিচ্ছিলো এ যেন ব্রিটেনের বুকে এক খন্ড সোনার বাংলাদেশ। বাঙালির অতিথি প্রিয়তা আর আন্তরিকতায় মিলিব্যান্ড সহ পুরো টিম এতো মুগ্ধ ও অভিভূত যে তার প্রমাণ একে একে সকল অতিথি আর সাংসদেরা মঞ্চে প্রকাশ্যে বার বার সেটাই উল্লেখ করছিলেন। সবাইকে ছাড়িয়ে যান জিম ফিটজ প্যাট্রিক এমপি। তিনি মঞ্চে উঠে তার বক্তৃতার শুরুতেই হর্ষধবনি্র মাধ্যমে বলেন আস সালামু আলাইকুম। তার পর চিৎকার করে উৎফুল্ল হ্রদয়ে হাত উঠিয়ে তিনি জানতে চান আপনারা সকলে ভালো আছেননি ? এ সময় গ্রেট হল বাঙালির ভালো আছি শব্দে কেঁপে উঠে আর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে জানা দেয়, আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের ভাষা, বাংলা আমাদের প্রাণ।

মিলিব্যান্ড তার বক্তব্যে ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রির অবদান ব্রিটিশ ইকোনোমিতে যে বড় ধরনের ভুমিকা রাখছে সেটা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আর কমিউনিটির সকলের মিলিত সাধনার ফলে আমাদের অর্থনীতি, আমাদের সমাজ, সভ্যতা, সংস্কৃতি আজকের এই অবস্থানে। তিনি একই সাথে কমিউনিটির হারমোনি বজায় রাখার জন্য আমাদের সকলের প্রচেষ্টার প্রশংসা যেমন করেন একই সাথে আরো ভুমিকা রাখার আহ্বান জানান। এর আগে মঞ্চে মিলিব্যান্ডকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানান বিসিএ্র প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি সহ নেতৃবৃন্দ।

এড মিলিব্যান্ড তার বক্তব্যের শেষে বিদায়ের প্রাক্কালে মঞ্চে ডেকে নিয়ে আসেন ব্রিটেনের আগামী ২০১৫ সালের নির্বাচনে লেবার দলের পাঁচ ব্রিটিশ বাংলাদেশী প্রার্থীদের। এ সময় একে একে মঞ্চে উঠে আসেন রোশনারা আলী এমপি, টিউলিপ সিদ্দিক, ডঃ রূপা হক, ব্যারিস্টার আনোয়ার বাবুল মিয়া। মিলিব্যান্ড তাদের সকলের জন্য কমিউনিটির সকলের সাপোর্ট ও সহযোগিতা কামনা করেন।

মিলিব্যান্ডের বক্তব্যের পর পরই আবারো তাসনিম ও গ্রেগ তাদের মনমাতানো উপস্থাপনার মাধ্যমে আর একের পর এক চমকের মাধ্যমে শুরু করেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের বক্তব্যের ফাকে ফাকে চলছিলো নৃত্য আর সঙ্গীত পরিবেশন যা উপস্থিত সকলেই উপভোগ করেন আনন্দ চিত্তে।

এই পর্যায়ে বিসিএর শেফ অব দ্য ইয়ারের নির্বাচন ও মনোনয়ন আর বিচারক মন্ডলীর মতামত সহকারে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শন ছিলো খুবই আকর্ষণীয়। কারণ এই ফুটেজের মাধ্যমে এই বর্ষ সেরা শেফ নির্বাচন আর তার পদ্ধতি ছাড়াও নির্বাচক মন্ডলীদের সম্পর্কে পুরো ধারণা সকলের সম্মুখে উপস্থাপনের ফলে সহজেই বিসিএর কার্যক্রম নিয়ে ধারণা লাভ করা যায়।

এ বছর সেরা দশজন শেফ বর্ষ সেরা শেফ নির্বাচিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন অতিথিদের কাছ থেকে বর্ষ সেরা শেফরা তাদের পরিবার পরিজন সহকারে পুরস্কার, সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন। এ বছর যারা পুরস্কার লাভ করেছেন, তারা হলেন- সাউথ ইস্ট রিজিয়ন ক্যান্ট থেকে তাজ ক্যুজিনের শেফ আব্দুল মতিন, সাউথ ইষ্ট রিজিয়ন ব্রাইটন থেকে পাভেল রেস্টুরেন্টের শেফ সৈয়দ ফরিদ আলী, ইষ্ট মিডল্যান্ড রিজিয়ন থেকে বেঙ্গল ব্রাসারির শেফ ফেরদৌস আহমেদ, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিয়ন থেকে ড্রোবার আর্মস রেস্টুরেন্টের শেফ লক্ষ্মমান শ্রেষ্ঠা, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিয়ন হার্টফোর্ড শায়ার থেকে স্টার অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টের শেফ আব্দুল হান্নান, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড হ্যাম্পষ্ট্যাড থেকে ম্যারিনা স্পাইস লাউঞ্জের শেফ মোঃ আব্দুল হাই, বাকিংহাম শায়ার রিজিয়ন থেকে টাইগার গার্ডেনের শেফ কদর আলী, লন্ডন রিজিয়ন থেকে কিউমিন বার রেস্টুরেন্টের শেফ সাজ্জাদ খান, সাউথ ওয়েস্ট রিজিয়ন থেকে বেঙ্গল লাউঞ্জের শেফ সিদ্দিক আহমেদ, সাউথ ইষ্ট রিজিয়নের কারি স্টাইলের শেফ নূরুল ইসলাম ।

ব্রিটিশ কারি ইন্ডাস্ট্রিকে সহযোগিতা আর আউট স্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশনের জন্যে অনারারি এওয়ার্ড ২০১৪ দেয়া হয় ওয়াটফোর্ডের রিচার্ড হ্যারিংটন এমপি, এবং এম এ মতিনকে।

এর পর পরই বিসিএ ক্যাটারার অব দ্য ইয়ার ২০১৪ পদকে ভূষিত যাদের করা হয়, তারা হলেন-

ইয়র্কশায়ার এবং হাম্বারসাইড রিজিয়ন থেকে বাংলা লাউঞ্জ হাল লিমিটেডের ক্যাটারার রাত্রি হাসিনা চৌধুরী, নর্থ লন্ডন রিজিয়ন থেকে মাহেক ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টের ক্যাটারার আশিক মিয়া, সাউথ ইষ্ট রিজিয়ন ক্যান্ট থেকে দ্য সিনামনের ক্যাটারার আব্দুস সোবহান, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিয়ন-হার্টস এন্ড বিটস থেকে সাফরন রেস্টুরেন্টের ক্যাটারার তাহির উল্লাহ খান, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিয়ন-নরফোক এন্ড সোফকের ম্যালফোর্ড ভ্যালি তান্দুরীর ক্যাটারার রণি মালিক, ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিয়ন থেকে কারি প্যালেসের ক্যাটারার খসরু মিয়া, নর্থ ওয়েস্ট রিজিয়ন মানচেস্টার থেকে বয়ে লিফ লাউঞ্জের ক্যাটারার দিলু মিয়া, নর্থ ইষ্ট রিজিয়নের ক্যাফে স্পাইসের ক্যাটারার মোহন ব্রায়ান মিয়া, সাউথ ওয়েস্ট রিজিয়নের তামারিন্ড বে র ক্যাটারার খালেদ আহমেদ, ওয়েলস রিজিয়ন থেকে কিলি স্পাইসের ক্যাটারার আজমল হোসেন।

এওয়ার্ড বিতরণীর পর্ব শেষ হতে ঘড়ির কাটায় তখন ১০টার ঘর পার হয়ে যায়। এ সময় টেবিলে টেবিলে সার্ভ করা হয় বিসিএ উদ্যোগে ডিনার। ভোজন পর্বে বাঙালিআনা সহ সব ধরনের টেস্টের খাবার ছিলো। এই সময় মঞ্চে আসেন বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সামিনা চৌধুরী। সামিনা একের পর এক গান পরিবেশন করে অভ্যাগত অতিথি আর হল ভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। সামিনা যখন গেয়ে উঠেন ছন্দে ছন্দে দুলি আনবে আমি বন ফুলগো- হল ভর্তি বাঙালি ললনারাও মনের অজান্তে গেয়ে চলেন আমি বনফুলগো।ব্রিটেনের বুকে বহু ভাষাভাসি বর্ণ আর গোত্রের মিলন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের সেই আয়োজন, সেই সেলিব্রেশন এ যেন দুলি আনন্দে আমি বনফুলগো...রিনি ঝিনি হয়ে বেজে চলে গ্রসভেনর হয়ে টেমসের ওপারে ইথারে ইথারে ছড়িয়ে পড়ে বাঙালি যেখানে বয়ে চলে ইষ্ট থেকে ওয়েস্ট কিংবা ওয়েলস থেকে কর্ণওয়ালিশ সর্বত্রই। ধন্যবাদ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন, সকল মিডিয়া কর্মী, আর অতিথি, দর্শক সকলকেই যাদের মিলিত পরিশ্রমের ফলেই এই অসাধারণ এক সুন্দরের সমারোহ।


Salim932@googlemail.com
03rd November 2014, London