শশ্বুর বাড়িতে কেমন ছিলো প্রথম ঈদঃ এক পুলিশ কর্মকর্তার সেই ভিন্ন স্বাদের কথা
লন্ডন-এইদেশ সংগ্রহ , বুধবার, জুলাই ৩১, ২০১৩


তাঁদের কারও বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর, কারও ১০ বছর। কর্মক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থানে তাঁরা প্রতিষ্ঠিত। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে প্রথম ঈদে তাঁরা কী করেছিলেন, কেমন ছিল মা-বাবা-ভাইবোন ছাড়া প্রথম ঈদটি? আজ অধুনায় জানব তেমনই চার পেশাজীবী নারীর শ্বশুরবাড়িতে প্রথম ঈদের গল্প, চার পর্বের লেখা আজকে প্রথম পর্ব , কৃতজ্ঞতা প্রথম আলো

সবাই এল পুলিশ বউ দেখতে
রেবেকা সুলতানা
অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল (এআইজি) ক্রাইম-পশ্চিম,বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা

শ্বশুরবাড়িতে আমার প্রথম ঈদ ২০০৩ সালে। বলে রাখি, আমার ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গেই আমার বিয়ে হয়েছে। ফলে ওই বাড়ির সবাইকে আগে থেকেই চিনতাম। যদিও বিয়ের পর সবার সঙ্গে সম্পর্ক পরিবর্তন হয়েছে। বিয়ের আগে আমার ফুফাতো বোনেরা আপা ডাকত, বিয়ের পর ভাবি। আমার স্বামীর গ্রামের বাড়ি বরিশালে। ঢাকা থেকে লঞ্চ, ট্রলার আর নৌকা—এই তিন জলযানে চড়ে সেখানে পৌঁছালাম ঈদের আগের দিন। সেটা ছিল কোরবানির ঈদ।

গ্রামের মানুষ পুলিশ বউ দেখতে এসেছে। তাদের চোখে রাজ্যের কৌতূহল আর প্রশ্ন। কেউ বলে, ‘তুমি কি দারোগা, না তার চেয়ে বড়?’ কেউ বলে, ‘চোর ধরতে পারো?’ এমন নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে মজাই লাগছিল।

ঈদে সারা দিন সবার সঙ্গে কথাবার্তা আর মেহমানদারি ছাড়াও টুকটাক ঘোরা হলো। ফুফু মানে আমার শাশুড়ি খুব আদর-যত্ন করেছিলেন। কারণ, মা-বাবা ছাড়া প্রথম ঈদ ছিল তো। সব মিলিয়ে ভালোই কেটেছিল। এখন স্বামী আর দুই মেয়েকে নিয়ে ঢাকাতেই কাটে ঈদের দিন।